ফ্রিল্যান্সিং কী?
ফ্রিল্যান্সিং হলো এমন এক ধরনের কাজ যেখানে আপনি কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানির স্থায়ী কর্মচারী নন। বরং আপনি আপনার দক্ষতা, সময় এবং সেবা অনলাইনের বিভিন্ন ক্লায়েন্টদের কাছে বিক্রি করেন। সহজভাবে বলতে গেলে—আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করেন এবং কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক পান।
এখানে আপনি নিজেই আপনার বস, নিজেই সময় নির্ধারণ করেন এবং ইচ্ছেমতো কাজ করেন। এ কারণে বর্তমানে বিশ্বে লাখো মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করছে।
কেন ফ্রিল্যান্সিং করবেন?
-
নিজের মতো করে কাজ করার স্বাধীনতা
-
বাড়িতে বসে আয়ের সুযোগ
-
পার্ট-টাইম বা ফুল-টাইম—দুইভাবে করা যায়
-
বিশ্বের যেকোনো দেশের ক্লায়েন্টের সাথে কাজ
-
আয়ের কোনো সীমা নেই
-
স্কিল যত বাড়বে, আয়ও তত বাড়বে
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে যা যা লাগে
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য বড় কিছু প্রয়োজন হয় না। যেগুলো লাগবে—
১) একটি স্কিল বা দক্ষতা
স্কিল ছাড়া ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা অসম্ভব। জনপ্রিয় স্কিলগুলো হলো—
-
WordPress Website Design
-
Graphic Design
-
Digital Marketing
-
Video Editing
-
SEO
-
Copywriting
-
Programming
-
Shopify Store Design
-
Social Media Management
-
UI/UX Design
২) একটি ল্যাপটপ বা ভালো মোবাইল (কাজের ধরন অনুযায়ী)
হালকা কাজ মোবাইল দিয়ে করা যায়, কিন্তু
প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সিং করতে ল্যাপটপ জরুরি।
৩) ভালো ইন্টারনেট সংযোগ
ভিডিও কল, ফাইল আপলোড ও কাজ ডেলিভারির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৪) একটি শক্তিশালী পোর্টফোলিও
ক্লায়েন্টরা আপনার কাজ দেখে Hire করে।
পোর্টফোলিও হতে পারে—
-
আপনি করা কাজের উদাহরণ
-
Demo Project
-
নিজের বানানো ওয়েবসাইট
-
Behance / Dribbble / GitHub প্রোফাইল
৫) ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস অ্যাকাউন্ট
যেমন—
-
Upwork
-
Fiverr
-
Freelancer
-
PeoplePerHour
-
Toptal (একটু অভিজ্ঞ হতে হয়)
৬) ভালো ইংরেজি যোগাযোগ দক্ষতা
বিশেষ করে—
-
ক্লায়েন্টের সাথে মেসেজ
-
প্রপোজাল লেখা
- ভিডিও কল